অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সেরা কাজ দেখতে ক্লিক করুন!

ওয়েব ডেস্কঃ

দেশীয় শিল্পীদের মধ্যে ইংলিশ আর্টের প্রভাব কাটানোর অস্ত্র হিসাবে ভারতীয়তাকে হাতিয়ার করেছিলেন অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর। ইভি হ্যাভেলের প্রভাব এবং রাজপুত ও মুঘল শিল্পকলার আধুনিক আত্তীকরণে অবনীন্দ্রনাথ গড়ে তোলেন এক সম্পূর্ণ দেশীয় শিল্পরীতি “বেঙ্গল স্কুল অব আর্টস”। আজ ৭ আগস্ট অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৫০ তম জন্ম বার্ষিকী। কাকা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রভাব এবং বাংলার সহজ সরল পরিবেশ তাঁর শিল্পকলায় আনে এক স্বকীয় স্বাক্ষর। জাপানি ‘ওয়াস পদ্ধতি’ চিনা ক্যালিগ্রাফিও প্রভাব ফেলে অবন ঠাকুরের আঁকা ছবিতে।

অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৫০তম জন্ম বার্ষিকী উপলক্ষে কলকাতার ভারতীয় যাদুঘর প্রকাশ করল “আইজ এন্ড ফিঙ্গারসঃ রোমান্সিং দ্য আর্ট অফ অবনীন্দ্রনাথ টেগোর” শীর্ষক একটি ভিডিও। ভারতীয় যাদুঘরে সংরক্ষিত অবন ঠাকুরের শিল্পকলার সংগ্রহ তুলে ধরা হয়েছে ওই ভিডিওটিতে।

গণেশ জননী ও নটীর পূজা

ভিডিওটিতে ব্যবহৃত হয়েছে সরোদের সুরে রবীন্দ্রসঙ্গীত “সখী ভাবনা কাহারে বলে”, “এসো শ্যমল সুন্দর” আর “ভেঙে মোর ঘরের চাবি নিয়ে যাবি কে আমারে”। অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের যে সব শিল্পকর্ম কলকাতার ভারতীয় যাদুঘর আলো করে আছে। সেগুলির এক ঝলক দেখতে হলে আট মিনিটের এই ভিডিও দেখতেই হবে। শিল্পকলার ছাত্রছাত্রী এবং শিল্প অনুরাগীদের মন ভোলাবে অবন ঠাকুরের সৃষ্টির এই ভার্চুয়াল ঝলক। আছে গণেশ জননী, নটীর পূজা সহ বহু বিখ্যাত পেইন্টিং আর অবনীন্দ্রনাথের করা ‘কাটুম-কুটুম’।

কাটুম-কুটুম

শুধু শিল্পকলা বা অঙ্কনই নয়, অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর ছিলেন দক্ষ লেখক। তাঁর রচিত ‘বুড়ো আংলা’, ‘ক্ষীরের পুতুল’,’রাজকাহিনী’ বা ‘নালক’ বাংলা সাহিত্যের অমুল্য রতন। এখানে রইল ভারত সরকারের সংস্কৃতি মন্ত্রকের প্রকাশ করা আজকের সেই ভিডিও। দেখে নিন এখানেই এক ক্লিকে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *