আজ World Trauma Day

ওয়েব ডেস্কঃ

উৎসবের মরসুমে বিভিন্ন দুর্ঘটনা বেশ কিছু মানুষের প্রাণহানির কারণ হয়েছে। এই দুর্ঘটনাগুলিতে মৃত ও আহতদের আক্রান্ত হবার অন্যতম কারণ হিসাবে দেখা গিয়েছে ‘আঘাত’ বা ট্রমা (TRAUMA) । ১৭ অক্টোবর বিশ্ব ট্রমা দিবস (World Trauma Day)। ট্রমা বা আঘাত বর্তমান সময়ে মানুষের মৃত্যুর অন্যতম একটি কারণ। ব্যস্ত জীবনে পথদুর্ঘটনা সহ অন্যান্য দুর্ঘটনা বহু মানুষকে হয় পঙ্গুত্ব দেয় কিংবা প্রাণহানির কারণ হয়। প্রতিবছর পৃথিবীতে প্রায় ৫০ লক্ষ মানুষ বিভিন্ন দুর্ঘটনার কারণে মারা যান। জাতীয় অপরাধ রেকর্ড ব্যুরো এনসিআরবি (NCRB)র থেকে পাওয়া একটি তথ্য অনুযায়ী ভারতে প্রতি বছর ১০ লক্ষ মানুষ বিভিন্ন দুর্ঘটনায় আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে মারা যান এবং প্রায় ২ কোটি দেশবাসী দুর্ঘটনায় আঘাত পেয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন চিকিৎসার জন্য।

দেশের প্রতিটি মাল্টিস্পেশালিটি এবং সুপারস্পেশালিটি হাসপাতালে ট্রমা কেয়ার ইউনিট (Trauma Care Unit) খোলা হয়েছে বাধ্যতামূলকভাবে। রাস্তার নির্মাণের সময়ে রোড ডিজাইন (Road Design) দুর্ঘটনা কমানোর ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাছাড়াও পথ নিরাপত্তার বিষয়ে গাড়ির চালক এবং পথচারীদের মধ্যে সচেতনতা গড়ে তোলার জন্য বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারিস্তরে প্রচার ও আইন প্রণয়নের বিষয়টি অগ্রাধিকার তালিকায় উঠে এসেছে।

একটি দুর্ঘটনার পর আহতকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে যেটুকু সময় পাওয়া যায় তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ওই সময়ে দেওয়া ছোট কিন্ত প্রাথমিক চিকিৎসাও হতে পারে জীবনদায়ী। তাই গুড সামারিটান ব্রিগেড (Good Samaritan) তৈরি করতে বিভিন্ন ট্রাফিক গার্ডে তৈরি হচ্ছে বিশেষ প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত বাহিনী। পথে গতিসীমা বেঁধে রাখার জন্য বসানো হয়েছে সেন্সর দেওয়া ট্রাফিক বাতি। “পথচারী এবং গাড়ির চালকরা যদি একে অপরকে শ্রদ্ধা করেন তাহলেই কমবে পথ দুর্ঘটনা” বলছেন মোটিভেশানাল স্পিকার ইন্দ্রজ্যোতি সেনগুপ্ত।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *