ভিউ ফাইণ্ডারে জীবনের সেরা মুহূর্তের খোঁজ কৃষ্ণা রায়ের

ওয়েব ডেস্কঃ

এ মাসের পার্লামেন্টারিয়ান ম্যাগাজিনে ফটো ফিচার প্রকাশিত হয়েছে কলকাতার ফটোগ্রাফার কৃষ্ণা রায়ের একরাশ কাজ। সেসব কাজের মধ্যে বেশ কিছু তাঁর কর্মজীবনের দৈনন্দিন অ্যাসাইনমেন্টের মাস্টার পিস আবার কিছু কাজ একেবারেই মৌলিক। দীর্ঘ দিনের অভিজ্ঞ এই ফটোগ্রাফারের কাজের ঝাঁকি দর্শন আজ থাকল ইনসাইড ভিশনের পাতায়।

ফটোগ্রাফার কৃষ্ণা রায়ের কর্ম জীবন শুরু হয় ১৯৯০ এ বিধান নগর সংবাদ থেকে। ছবি তোলার পাশাপাশি সংবাদ লেখা কলম তৈরি করা দিয়ে হাতেখড়ি। তারপর যোগ দেন লবণ হ্রদ সংবাদে। সেখানেও লেখা ও ছবি তোলা। সারাদিনের কঠিন পরিশ্রমের পর কর্মস্থলে ঠিকঠাক বাজছিল না সুর। ছেড়ে দিলেন চাকরি। ফ্রিল্যান্সার হিসাবে শুরু করলেন কাজ। ইংরেজি স্টেটসম্যান পত্রিকায় শুরু করলেন ফটো ফিচার। মিড উইক আর ডাউন টাউন। সেখানে কাজ করতে করতেই পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য রাজনীতিতে ঘটে গেল বড় এক ঘটনা। ছোট আঙ্গারিয়া কাণ্ড। কৃষ্ণা ছুটলেন লেন্স ক্যামেরা নিয়ে। তখন কলকাতায় শুরু হচ্ছে দ্য টাইমস অফ ইণ্ডিয়া। ছোট আঙ্গারিয়া কাণ্ডের সেই ছবিই হল কৃষ্ণা রায়ের দ্য টাইমস অফ ইণ্ডিয়ায় ঢোকার চাবিকাঠি। সেই থেকে চলছে আজও। ফটোগ্রাফির পাশাপাশি বিভিন্ন স্কুল ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছোটদের, ভবিষ্যতের ফটোগ্রাফারদের সঙ্গে নিজের অভিজ্ঞতা ভাগ বাঁটোয়ারা করে নেন। পড়িয়েছেনও বেশ কয়েকটি ইন্সিটিউটে। ব্যাক্তিগত জীবনে এসেছে বহু ঘাত প্রতিঘাত। তবুও পড়ে গিয়েও উঠে দাঁড়িয়েছেন ক্যামেরাটা নিয়ে। নড়ে গিয়েও সামলে নিয়েছেন, কম্পোজিশনটা ঠিক করে আবার শাটারটা টিপেছেন। ধরা পড়েছে অসাধারন সব মুহূর্তরা।

অবসর সময়ে ক্যামেরা নিয়ে চলে যান পাখিদের খোঁজে। বহু পাখির নাম, অভ্যাস, বিবরণ মুখস্ত কলকাতার প্রিয় কৃষ্ণা দির। পাখিরাও যেন তাঁকে ভালবাসে। ঠিক এসে ধরা দেয় তাঁর লেন্সের সামনে। সারাক্ষণ মুখে হাসি লেগেই আছে এই প্রাণবন্ত মানুষটির। আর ভালবাসেন নিরিবিলি অঞ্চলে বেড়াতে যেতে। মূলত এই বিশাল দেশের যে সব অঞ্চলে আদিবাসী মানুষদের বাস সেসব অঞ্চল গুলিই হয়ে ওঠে কৃষ্ণা রায়ের ট্র্যাভেল ডেসটিনেশন। অ্যানালগ সিস্টেম থেকে ডিজিটালে এসেও আজও সমান সপ্রতিভ কৃষ্ণা রায়। আমাদের অন্তরের বিনম্র শুভেচ্ছা রইল তাঁর জন্য।

One thought on “ভিউ ফাইণ্ডারে জীবনের সেরা মুহূর্তের খোঁজ কৃষ্ণা রায়ের

  • August 30, 2020 at 9:57 pm
    Permalink

    Nice Collection. Memorable

    Reply

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *