গ্রিন করিডোর গড়ে ১৩ মিনিটে এয়ারপোর্টঃ অঙ্গ প্রতিস্থাপনে নজির গড়ল কলকাতা

মরণোত্তর দেহদানে নজির গড়ল কলকাতা। মল্লিক বাজারের ইনস্টিটিউট অব নিউরো সায়েন্সে ব্রেইন টিউমার নিয়ে ভর্তি হয়েছিলেন পীযূষকান্তি ঘোষাল। বর্ধমানের বৈঁচিগ্রামের বাসিন্দা পেশায় কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার পীযূষকান্তি তাঁর শিক্ষিকা স্ত্রী ও ১২ বছরের পুত্র কে নিয়ে থাকতেন উত্তরপাড়ায়। তাঁর ব্রেইন স্টেম ডেথ ঘোষণার পর তাঁর স্ত্রী মিষ্টি মুখোপাধ্যায়ের ও ঘোষাল পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের ইচ্ছায় পরোপকারী ও জনহিতকর কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকা পীযূষকান্তির অঙ্গদানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

দক্ষিণ ভারতের শংকর নেত্রালয় চলে যায় তাঁর চোখ এবং হায়দ্রাবাদের কেআইএমএস হাসপাতাল চলে যায় পীযূষ বাবুর ফুসফুস ও যকৃত। অপরদিকে এসএসকেএম হাসপাতালে প্রতিস্থাপনের জন্য তার কিডনি ও ত্বক। রবিবার রাত্রে মল্লিক বাজার ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্স থেকে এসএসকেএম হাসপাতাল ও কলকাতা বিমানবন্দর পর্যন্ত তৈরি করা হয় একটি গ্রিন করিডোর। মাত্র ১৩ মিনিটে ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্স থেকে কলকাতা বিমানবন্দরে পৌঁছায় পীযূষ বাবুর অঙ্গ-প্রত্যঙ্গবাহী অ্যাম্বুলেন্সটি। এর আগেও গ্রিন করিডোর গড়ে নজির তৈরি করেছিল কলকাতা। করোনা অতিমারীর মধ্যে আবারও অঙ্গ প্রতিস্থাপনের এক অনন্য ঘটনার সাক্ষী থাকলো শহর কলকাতা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *